প্রদীপ্ত পঁচিশে পাঞ্জেরী!
মেধা ও মননশীলতায় বিকশিত হবে এদেশের কোটি প্রাণ— এই স্বপ্ন চোখে নিয়ে সদ্য বিশ্ববিদ্যালয়ের চৌকাঠ পেরুনো কজন মেধাবী উদ্যোক্তা বপন করেন আজকের
পাঞ্জেরীর বীজ। সময়টি ১৯৯৩ সাল— যখন পরিবর্তনের অঙ্গীকারে একটি শতাব্দী উন্মুখ হয়ে আছে নতুন একটি শতাব্দীর অপেক্ষায়। শিক্ষা-গবেষণার নিবিড় পরিচর্যার মধ্য দিয়ে ছয় বছরের অবিচল যাত্রায় প্রকাশনা শিল্পের সেই বীজই অঙ্কুরিত হলো লিমিটেড কোম্পানিরূপে। স্বপ্নপূরণের ছোট্ট সূচনা সেই থেকে— ২০০০ সালে প্রতিষ্ঠিত একটি নাম পাঞ্জেরী পাবলিকেশন্স লি.— আজ বাংলাদেশের প্রকাশনা অঙ্গনের এক ঐশ্বর্যময় মহীরুহ।
প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে কারিকুলামভিত্তিক অ্যাকাডেমিক বইয়ের পাশাপাশি মননধর্মী সৃজনশীল বই প্রকাশের ধারাবাহিকতা অব্যাহত রয়েছে পাঞ্জেরীর। কিশোর ক্লাসিকস, নীতিগল্প সিরিজ, রম্য সিরিজ, কমিকস এবং চিরায়ত ও সমকালীন সাহিত্যের বইগুলো শিশু-কিশোরদের বই পড়ার আগ্রহ সৃষ্টিতে এক বিস্ময়কর মাত্রা যুক্ত করেছে। পাশাপাশি, পরিণত পাঠকদের জন্য দেশবরেণ্য ও প্রতিশ্রুতিশীল লেখকদের প্রবন্ধ, উপন্যাস, গল্প, কবিতা ও গবেষণাধর্মী বই সমৃদ্ধ করে চলেছে বাংলা প্রকাশনার ভান্ডারকে।
পাঠকের শ্রেণিভিত্তিক কনটেন্ট পরিকল্পনা, বৈচিত্র্যের মাঝে অভিনবত্ব, গবেষণালব্ধ পাণ্ডুলিপি, নিখুঁত সম্পাদনা, গুণমানসম্পন্ন উৎপাদন, সময়োপযোগী উদ্ভাবন, প্রযুক্তির যথাযথ প্রয়োগ ইত্যাদির সমন্বয়ে পাঞ্জেরী হয়ে উঠেছে জ্ঞান ও সৃজনচর্চার এক নির্ভরযোগ্য প্ল্যাটফর্ম। বিষয়বৈচিত্র্য ও মুদ্রণশৈলী ও উৎপাদনে নিজস্বতার স্বাক্ষর রেখে পাঞ্জেরী বর্তমানে বিশ্বমানের লক্ষ্য জয়ে সচেষ্ট।
পথচলার পঁচিশ বছরে প্রদীপ্ত পাঞ্জেরী কেবল একটি প্রকাশনী নয়— মেধা ও মননের বিকাশে নিবেদিত এক উজ্জ্বল আলোকবর্তিকা, যার লক্ষ্য বইমুখী প্রজন্ম গড়ে তোলার মাধ্যমে দেশের প্রতিটি ঘরকে প্রগতির আলোয় আলোকিত করে তোলা।
রজতজয়ন্তীর মাহেন্দ্রক্ষণে পাঞ্জেরীর অগণিত পাঠক, লেখক, সম্পাদক, প্রুফ রিডার, অলংকরণ ও প্রচ্ছদশিল্পী, প্রকাশনাকর্মী, সরবরাহকারী, বিপণন সহযোগী, শিক্ষক, বুদ্ধিজীবী, সাংবাদিক এবং শুভানুধ্যায়ীদের জানাই হার্দিক শুভেচ্ছা।